এই ভিডিও কনফারেন্স প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে পারবেন ১২০০ জন

করোনায় অনলাইনে মিটিং ও অন্যান্য কাজের জন্য বেড়েছে ভিডিও প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার। এই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে দেশীয় তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি বিশ্বমানের একটি ভিডিও কনফারেন্স প্ল্যাটফর্ম আনছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে রয়েছে। একসঙ্গে এক হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষকে যুক্ত করার সুবিধ ছাড়াও এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নানা সুবিধা থাকবে। বর্তমানে যেসব ওপেনসোর্স প্ল্যাটফর্ম আছে সেগুলো ২০ জনের বেশি লোড নিতে পারে না। এ ছাড়া এগুলোতে চার-পাঁচজনের কনফারেন্স ভালো হয়, কিন্তু ১০-১৫ জনের বেশি হলে আর পারে না। 

ওপেনসোর্স প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি বর্তমানে জুম, গোটুমিটিং, ব্লুজিন্সের মতো প্ল্যাটফর্ম থাকার পরও ভিডিও কনফারেন্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করার কারণ তুলে ধরে সিনেসিস আইটির গ্রুপ সিইও রূপায়ণ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের প্ল্যাটফর্মে মৌলিক এমন কিছু থাকবে, যা ব্যবহারকারীদের অন্য রকম একটা অভিজ্ঞতা দেবে। আমরা কয়েকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রেখে কাজ শুরু করি। সেগুলো হচ্ছে একটা ভিডিও মিটিংয়ে এক হাজার ২০০-র মতো অংশগ্রহণকারী থাকবে, অডিও বা সাউন্ড কোয়ালিটি হবে অসম্ভব উচ্চমানের।’ তিনি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা এতে সিনেসিস আইটির নিজস্ব সিকিউরিটি সিস্টেম ব্যবহার করছি। 

সিনেসিস আইটির মার্কেটিং এবং প্রডাক্ট ইনোভেশন বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান. এই প্ল্যাটফর্মটিতে ই-হেলথ, ই-লার্নিং এবং ই-গভর্নেন্সের জন্য বিশেষ ধরনের ফিচার ছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা থাকায় ব্যবহারকারীরা পাবেন নানা সুবিধা। সিনেসিস আইটির গবেষণা এবং প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান বিজন কুমার ধর বলেন, ‘সম্প্রতি একটি টেস্টে আমরা দেখেছি, প্ল্যাটফর্মটিতে ১০০ জনে ৬৪ কোরের সার্ভারের মাত্র ৫ শতাংশ ব্যবহার হয়েছে। ব্যান্ডউইথের ব্যবহারও খুব সন্তোষজনক। এক হাজার ২০০ জনের একটি মিটিং অনায়াসে করা যায়, যেখানে জুম সর্বোচ্চ সুবিধা দিচ্ছে এক হাজার জনের।       


সূত্র : সিএনএন

Post a comment

0 Comments