ছয় মাসেই গত বছরের চেয়ে বেশি আয় ফ্রিল্যান্সারদের

করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী সবাই অনেকটা ঘরবন্দি সময় পার করছেন। বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ছোট প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগই হোম অফিস করছে। এ রকম পরিস্থিতিতে ফ্রিল্যান্সারদের কাজের সুযোগ বেড়েছে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাছেও বেশি বেশি কাজ আসছে। এ খাত থেকে আয়ও বেড়েছে।


বিশ্বে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কাজ করিয়ে নেয়। এসব কাজের মধ্যে রয়েছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কনটেন্ট রাইটিং, ব্লগিং অ্যান্ড অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মতো কাজ। দেশের অনেকে বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিংয়ে যুক্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন দেশে থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৭৭ লাখ ডলার দেশে এনেছেন। ওই বছর প্রতিটি লেনদেনের গড় ছিল ১১৪ ডলার। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই গতবছরের চেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে। জানুয়ারি থেকে গত ২৭ জুন পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ৯৭ লাখ ডলার এনেছেন। এ বছর প্রতিটি লেনদেনের গড় দাঁড়িয়েছে ২০২ ডলার।

সংশ্নিষ্টরাও বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে বছরের শুরু থেকে লকডাউনে গেছে বিভিন্ন দেশ। এতে বন্ধ হয়ে যায় প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম। এখনও পর্যন্ত অনেক দেশে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়নি। ফলে ফ্রিল্যান্সারদের কাজ বেড়েছে। পেপ্যাল বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্সারদের লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম। পেপ্যালের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের কাছে পৌঁছে দেয় ব্যাংক এশিয়া। ব্যাংকটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ফ্রিল্যান্সিং থেকে বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়ছে।

সূত্রঃ সমকাল 

Post a comment

0 Comments